শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


রাঙ্গাবালীতে নিন্মমানের ইট দিয়ে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৭:১৫ অপরাহ্ণ, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ বৃহস্পতিবার 36 বার পঠিত

এম সোহেল প্রকাশক :

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নে একটি সড়ক নির্মাণে নি¤œমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই সড়ক থেকে নিন্মমানের ইট অপসারণের জন্য এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী চিঠি দিয়ে ঠিকাদারকে নির্দেশ দিলেও তা না মেনে কাজ করা হচ্ছে। এতে বাঁধা দিতে গেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে তদারকির দায়িত্বে থাকা উপসহকারীর সঙ্গে নির্মাণ শ্রমিকদের বাকবিতণ্ডা হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে মালেক হাওলাদারের বাড়ি হয়ে মাদারবুনিয়া খাল থেকে সত্তার গাজীর বাড়ি পর্যন্ত এক হাজার মিটার কার্পেটিং সড়ক নির্মাণ হবে। যার চুক্তিমূল্য ৫১ লক্ষ ৭১ হাজার। কাজটি পায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার দক্ষিণ বোয়ালগাছিয়ার মেসার্স পাল এন্টারপ্রাইজ। মাঠপর্যায় কাজটি করছেন বশির উদ্দিন সিকদার নামের পটুয়াখালীর এক ঠিকাদার।


স্থানীয়রা জানায়, গত ৪-৫ দিন ধরে ওই সড়কে নিন্মমানের ইটের খোয়া বেছানোর কাজ চলছে। এলজিইডির লোকজন বাঁধা দিলেও তা মানছে না ঠিকাদারের লোকজন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টার দিকে ওই নির্মাণকাজে তদারকির দায়িত্বে থাকা (এসও) এলজিইডির উপসহকারী শহিদুল ইসলাম এসে সড়কে নিন্মমানের ইটের খোয়া বেছাতে বাঁধা দেয়। কিন্তু বাঁধা না মেনে উল্টো তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা জড়ায় ঠিকাদারের লোকজন। পরে তিনি ঘটনাস্থল ছাড়তে বাধ্য হন।

এরআগে বুধবার সড়ক থেকে নিন্মমানের ইট অপসারণের জন্য ঠিকাদারকে চিঠি দেয় উপজেলা প্রকৌশলী। ওই চিঠিতে বলা হয়, নি¤œমানের ইট অপসারণের জন্য বারবার মৌখিক নির্দেশ দেওয়া সত্তে¡ও সেই ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। যা চুক্তি পরিপন্থী। এ অবস্থায় পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ওইসব ইট অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা এলজিইডির উপসহকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা একাধিকবার নি¤œমানের ওই ইট সরানোর জন্য বলেছি। বরংচো আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করেছে। উপজেলা প্রকৌশলীও সেখানে গিয়েছিল। ইট অপসারণের জন্য ঠিকাদারকে চিঠি দিয়েছে। তারা কোন কথাই শুনছে না।’
এবিষয়ে জানতে ঠিকাদার বশির উদ্দিন বলেন, গত একমাস যাবত রাস্তার কাজ বন্ধ রয়েছে।
পরে ঠিকাদারের পক্ষে ওই কাজে নিয়োজিত ম্যানেজার মোহাম্মদ শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, ‘ধানের মধ্যে চিঁটা থাকবেই। দুই একটা ইট সমস্যা। এসও শহিদ স্যারে আসছে। আসার পরে আমাদের রাগারাকি করছে। শ্রমিকদেরকে সঙ্গে কথা কাটাকাটি হইছে। পরে স্থানীয় লোকজন দুই গ্রæপকে সরিয়ে দিছে।’

এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মিজানুল কবির বলেন, ‘নিন্মমানের এই ইট যখন ট্রলারে ছিল, তখনই আমি ইট নামাতে নিষেধ করেছি। তবুও তারা সাইডে ইট নিয়ে গেছে। আমরা চিঠি দিয়ে নিন্মমানের ইট অপসারণ করতে বলেছি। ওই চিঠির অনুলিপি দিয়ে বিষয়টি উর্ধ্বতণ কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করেছি।’

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দর্পণ বাংলা'কে জানাতে ই-মেইল করুন। আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দর্পণ বাংলা'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিজ্ঞাপন

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দর্পণ বাংলা | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি | Developed by UNIK BD