রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


হুমায়ুন আহমেদ স্যার ও কিছু কথা

প্রকাশিত : ০৪:২২ অপরাহ্ণ, ২০ জুলাই ২০২০ সোমবার 37 বার পঠিত

মোঃ রাশেদুল ইসলাম পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

এইচ এম মহসিন

আমার বিশ্বাস, রবী ঠাকুর এই কবিতাটি যখন লিখেছেন তখন বোশেখ মাস ছিল। আকাশভর্তি কালো মেঘ, গুরুম-গুরুম ডাক,ঝড়ো হাওয়া,একটুপর অঝোর ধারায় বর্ষণ,দিনের বেলা নিশির মত পৃথিবী ঘণ অন্ধকারে ছেয়ে যাওয়া শুধু কাল বোশেখী ঝড়েই সম্ভব।
হয়ত তিনি কোন এক বিষন্ন বৈশাখে নিঃসঙ্গ মনে জানালার পাশে খাতা কলম নিয়ে বসেছিলেন।তার কিছুই মনে আসছে না।তিনি বসে বসে কলম কামড়াচ্ছেন।তার মন খারাপ।কখনি উঠে বাড়ান্দাময় অস্থির পায়চারী করছেন। আর তখনই প্রকৃতি আনন্দময় বিঘ্ন তৈরি করে দিল তার মন খারাপের ওপর।তিনি লিখতে শুরু করলেন,.

বাড়িছে বৃষ্টির বেগ,
থেকে থেকে ডাকে মেঘ,
ঝিল্লীরব পৃথিবী ব্যাপিয়া !!

এমন ঘন ঘোর নিশি,
দিবসে জাগরণে মিশি,
জানিনা কেমন করে হিয়া !!

কি আনন্দ !! বৃষ্টি নামছে।তাও মুশলধারায়।টিনের চালা থেকে ঝুপঝুপ শব্দ হচ্ছে।বৃষ্টির ছাট আসতেই জানালা বন্ধ করে দিলাম।ঘরময় আবছা অন্ধকার।

ইশ, ঘুমের জন্য কি অদ্ভূত আরামের ব্যাবস্থা করে দিয়েছে প্রকৃতি।লোভ সামলাতে পারছিনা।ইচ্ছে করে মোটা কাঁথা জড়িয়ে এখুনি ঘুমিয়ে পরি।কিন্তু আমি তা পারছিনা।

বৃষ্টির সাথে মানুষের রংবেরংয়ের আবেগ সৃষ্টি হয়।কেউ কাঁথা জড়িয়ে ঘুমিয়ে পরে,কেউ বা বৃষ্টিতে ভিঁজে,আবার কেউ কেউ লেখালেখি নিয়ে প্রচন্ড আগ্রহবোধ করে।যেমন আমি।ইদানিং বৃষ্টির সাথে কেন জানি লেখার একটা যোগ হয়ে যাচ্ছে।বৃষ্টি হলেই কেন জানি খাতা কলম নিয়ে বসে যাই।কল্পনার জানালা দিয়ে অনেকদূর তাকাই।কিছু দেখতে চেষ্টা করি।চেষ্টা বিফলে যায় না।কিছু স্মৃতি কালো মেঘের মত চোখের সামনে উড়াউড়ি করে।

ইচ্ছে করেই পেছনে ফিরি।

তখন আমি সম্ভবত অনার্স ফার্স্ট কিংবা সেকেন্ট ইয়ারে পড়ি।মেসে থাকি।সাত আটটা রুম।অর্থনৈতিক সমস্যার কারনে একেক রুমে একাধিক ছাত্র থাকতে হয়।তিন জনের জায়গায় ছ জন।তার ওপর গ্রাম থেকে কেউ আসলে তো কথাই নেই।গোঁদের ওপর বিষ ফোঁড়ার মত বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়।সারারাত ঘুমতো পারিনা।তাসের আসর জমে উঠে।তাস খেলে চারজন।পাশ থেকে হা হুতাশ করে তার জন দশেক।যিনি তাস খেলেন দর্শকের চাপে তার চাঁদমুখ দেখতে হলে একসময় চোখে মাইক্রোস্কোপ লাগাতে হয়।

যন্ত্রনাময় জীবনের এখানেই শেষ নয়।মেসের একটা টিভি আছে।ছাত্ররা কার যেন পক্ষ হয়ে ইলেকশনে খাটাখাটুনি করে উপহার হিসেবে টিভিটা পেয়েছে।

প্রতি মাসেই নিয়ম করে টিভিটা নষ্ট হয়।যক্ষের ধনের মত সেট মেরামত করি।প্রতিবারেই চাঁদা দিই।চাঁদা হল দশ টাকা।একটা ডিম পাওয়া যায় সেই টাকায়।একবেলার তরকারীর মূল্য।

প্রায় সময়ই টিভির রিমোর্ট থাকে বড় ভাইদের হাতে।তাদের যা পছন্দ সেটাই ভক্ষন করি।হয়ত কারো রবীন্দ্র সংগীত পছন্দ।অগত্যা সেই প্যাঁ পু শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা।তবুও শুনতে হবে।এটা ছিল অলিখিত নিয়ম।আমাদের ইচ্ছে-অনিচ্ছার কখনো পাত্তা দেয়া হত না।আমরা ছোটরা হতাম বলির পাঠা।

দিনরাতের কোন হিসেব নেই।টিভি চলছে তো চলছে।রাত তিনটা বাজে উঠে দেখতাম,কয়েকজন বসে বসে টক শো দেখছে।যারা টক শো করছেন তাদের কি জ্ঞান-গম্মি !! টেকো মাথা বেয়ে বেয়ে জ্ঞানের তুফান ছুটছে।না দেখলে বোঝাই যাবেনা এটা মধু না ট্যাংয়ের শরবত খাচ্ছি।

কিছু বড় ভাইদের কল্যানে লাইভ অনুষ্ঠানগুলি সবচেয়ে গুরুপ্ত দিয়ে দেখা হত।গনজাগরন মঞ্চের অনুষ্ঠান তো কমকরে হলেও দশ-বারো দিন দেখেছি।তবুও কেউ কেউ গদগদ বলছেন,”চেতনা জেগেছে,তরুনরা আজ মুষ্টিবদ্ধ,ঠেকায় তাদের কে?,রাজাকারের ফাঁসি এবার নিশ্চিত”।কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, এতগুলো বিপ্লবী তরুন-তরুনিরা পায়খানার সময় কেমন করত?? হাস্যকর হলেও এই চিন্তাটাই মাথার মধ্যে কিলবিল করছিলো।

হুমায়ুন আহমেদ স্যারের মৃত্যর আগে ও পরে প্রায় চার পাঁচ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের অনেক চ্যানেলে লাইভ শো করল।আমি তখন হুমায়ুন আহমেদ স্যারকে চিনিনা।নাম শুনেছি হয়ত।তার কোন বইও পড়া হয় নি।শুধু জানতাম,স্যার হিমু নামে কাকে যেন সৃষ্ঠি করেছেন।যারা হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে।তাদের জামার পকেট থাকেনা,পায়ে জুতা থাকেনা।

হুমায়ুন আহমেদ স্যারের মৃত্যু এবং দাফন নিয়ে এক ধরনের জটিলতা তৈরি হল।টিভি চ্যানেলগুলো ফলাও করে প্রচার করছে।মুহুর্তের জন্য দম বন্ধ করছে না।বেশি ফোকাস করছে শাওনকে।আমার যেহেতু কোন জানাশোনা নেই চুপচাপ দেখছি সবকিছু।মেসের সবাই দেখি শাওনকে দুয়ো দিচ্ছে।কেউ কেউ আবার নোংড়া ভাষায় গালিও দিচ্ছে।একটা মানুষের মৃত্যুতে এত মাতামাতির কি আছে !!

লাইভ দেখতে দেখতে একসময় আমার বড্ড বিরক্তি লাগছে।যখন টিভিতে মুখ দেই একই খবর।কত আর দেখা যায়।এক সময় অসহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলেও একটা বিষয় আমাকে বেশ নাড়া দিয়ে গেল।সবাই শোকে কাতর।হুমায়ুন আহমেদ স্যারের কফিনের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভীর।বেশিরভাগ যুবক।সবার হাতে ফুল।তিল ধারনের ঠাঁই নেই।প্রিয় স্যারকে তারা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে স্যারের সৃষ্ঠি হিমুর সেজে সবাই হলুদ পাঞ্জাবী আর খালি পায়ে এসেছে।সবার চোখে জল।সেই জলের রংও আলাদা।প্রিয়জন হারালে মানুষ যেভাবে কাঁদে।

সবার সেই বেদনাবোধ আমাকেও ছুঁয়ে গেল।কখন জানি আমিও স্যারের মৃত্যুতে মন খারাপ করে ফেললাম।কোন অপরিচিত ব্যাক্তিবিশেষের প্রতি সেই আমার প্রথম দুঃখবোধ।

একটা মানুষের মৃত্যুতে সবকিছুতেই যখন ঘরির কাঁটাটা থমকে দাঁড়ায়,তখন তার প্রতি মানুষের আগ্রহ,টান আর ভালবাসাটাকে সহজেই অনুভব করারা যায়।

স্যারের এ গগনস্পর্শী জনপ্রিয়তার দেখে আমার মনে বেশ কৌতূহল জাগল।তার বইয়ে কি এমন আছে?? তিনি এমন কি স্রষ্ঠা?? যার মৃত্যু সবাইকে এভাবে কাঁদায়।যার শুন্যতা আমার মত একজন অপরিচিত মানুষকেও নাড়িয়ে দেয়।কারো জন্য দুঃখবোধ হওয়া কি এতই সহজ?? নিশ্চয়ই না।সহজেই হাসা যায়,হাসির অভিনয় করা যায়।কিন্তু চোখের পানি,সহস্র মানুষের আবেগ?? এটাকে আপনি কিভাবে মাড়িয়ে যাবেন?? কিন্তু আমি পারিনি।

মনের মধ্যে লোভ পুষে রেখেছি।কখনি সুযোগ পেলে লোকটার বই পড়বো।তখন বই কিনতে মাঝে মাঝে নীলখেত যাই।একবার আগ্রহ করে স্যারের একটা কিনে ফেললাম।বইটার নাম “দারুচীনি দ্বীপ” গল্পের নায়ক শুভ্র।চশমা ছাড়া চোখে দেখেনা।যাকে সবাই ডাকে “কানাবাবা” বইটি পড়ে ভাল যা লাগল খারাপ লাগল তার বেশি। লাগবে কি করে তখন যে প্রমাবেগে রসে টসটসা বই পড়ি।অসুস্থ তৈল খাওয়া জিহ্বায় ঘিয়ের স্বাধ তো বেখাপ্পা লাগবেই।

কাসেম বিন আবু বকর,এমডি মুরাদ এসব লেখকের সস্তা খাবার চিন্তাকে গ্রাস করে ফেলেছিল।বই খুলতেই যুবক-যুবতীর যৌন রসায়ন।ধর্মকে ব্যবহার করে হালাল👿👿 যৌনতা। স্পর্শকাতর জিনিসকে উপভোগ্য করা।উফ, কি আনন্দ !! দুই তিন পাতা পড়তেই কিভাবে নায়ক নায়িকা নির্জন পুকুর পারে বসে ঘন আলাপ করে।কিভাবে পার্কে বসে ইয়ে👿👿 করে।চোখের সামনে তেঁতুল দেখলে কিশোর বয়সে কি জিহ্বার পানি সামাল দেয়া যায় !! ভরা জোঁয়ারে বালির বাঁধ দিয়ে জল আটটকানোর চিন্তা বাতুলতা বৈ আর কিছু নয়।

কিন্তু দূর্ভাগ্য এই অখাদ্য-কুখাদ্য আমাকে বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি।
ফার্স্ট ইয়ারে পরীক্ষা দিয়েই তাবলীগে তিন চিল্লা দিয়ে ফেললাম।অনেক কিছু পাল্টে গেছে।সময় পেলেই বিভিন্ন ইসলামী ঔপন্যাসিকের বই পড়ি।শফিউদ্দিন সরদার,নসীম হিজাজী,এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ,সাদেক হুসাইন।কিন্তু এদের বই একটা কারনে ভাল লাগত না।সবসময় আবেগ আর ভাষাকে ব্যাবহার করতেন।সহজবোধ ছিলনা তাদের লেখায়।ছিল না যুক্তিবোধ কিংবা মজাদার সুপাঠ্য।
একদিন সুমন ভাইয়ের টেবিল থেকে কৌতূহলবশত হুমায়ুন আহমেদ স্যারের “সবাই গেছে বনে” বইটা দেখে পড়ার আগ্রহবোধ করলাম।বইটা খুলে একটানা পড়ছি তো পড়ছি।নিঃশ্বাসের আওয়াজ পর্যন্ত পাচ্ছিনা।যেন কোন একটা নৌকা নিঃশব্দে আমায় অচেনা জগতে নিয়ে যাচ্ছে।এক বসায় বইটা শেষ করে উঠলাম।সেই আমার স্যারের সৃষ্টির প্রতি প্রথম ভাললাগা।এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি।মুগ্ধতা আমাকে ছুঁয়ে গিয়েছে ক্রমেই।জীবনের গভীর দুঃখবোধকে কিভাবে সহজ আর সাবলীলভাবে বর্ণনা করে গেছেন।কখনো সস্তা আবেগকে আসতে দেননি।লিখেছেন নিজের মত।

নন্দিত নরকে,অচিনপুর,আমি ও আমরা,বৃষ্টি বিলাস,তোমাকে,বলপয়েন্ট,আমার ছেলেবেলা,আয়না ঘর,আশাবরী,অনন্ত নক্ষত্র বীথি,আকাশ জোড়া মেঘ,দ্বিতীয় মানব এছাড়াও শুভ্র এবং মিসির আলী সিরিজের সবগুলো সংকলন ছিল আমাকে মুগ্ধ করার মত।

সবচেয়ে বেশি ভাল লেগেছে নন্দিত নরকে আর অচিনপুর।সম্ভবত এ দুটা বই কম করে হলেও বিশবার করে পড়েছি।বেশি কতবার পড়েছি জানিনা।জানার ইচ্ছেও হয় না।জন্ম থেকেই মানুষ ভাল,সুন্দর জিনিসের প্রতি আকৃস্ট।সুন্দর জিনিসের প্রতি লোভ কখনো ফিঁকে হয় না।আজীবন সে সুন্দরের পুঁজারী।এমনকি মানুষের মৃত্যুটাও হয় সুন্দর দিয়ে।গোছল করানো,নতুন কাপর পরা,সুমিষ্ট আগরবাতি জ্বালানো।হিন্দু হলে চিতোয় দামী চন্দন কাঠ দেয়া।এর চেয়ে সুন্দর শেষ আর কি হতে পারে !!

পাঠকরা যদি কখনো অচিনপুর বইটা পরেন তাহলে আমার “আমরা তিনজন” গল্পটায় অনেক মিল খুঁজে পাবেন।”অচিনপুর” গল্পটা পড়েই আমার মনের মধ্যে একটা ধাক্কা লাগল।এত সুন্দর একটা গল্প?? লেখা যেন নির্বিগ্নে জীবন তার আপন গতিতে চলছে।গল্পের সবকিছুই যেন ছবির মত জীবন্ত। আমিও তো একটু চেষ্টা করে দেখতে পারি।মূলত “আমরা তিনজন” গল্পটার মূল অনুপ্ররনাই হল এই উপন্যাসটা।

লেখালেখিতে আমি হুমায়ুন আহমেদ স্যারকে আইডল মানি।তার দর্শন দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত।আমার কাছে তিনি একজন শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক।

ব্যাক্তি হুমায়ুনও আমার কাছে উৎসাহের প্রতীক।সততা আর সরলতা ছিল হুমায়ুন আহমেদ স্যারের মহত গুন।বললে মিথ্যা হবে না,আমি এ দুটো গুন হুমায়ুন আহমেদ স্যারের কাছে শিখেছি।সত্যকে তিনি যেন কত সহজেই স্বীকার করতেন।এমনকি দৃষ্টিকটু হলেও।

তবে একটা বিষয়ে আমি বেশ আহত হই।সেটা শাওনের কারনে।কেন জানি আমি স্যারের পাশে শাওনকে সহ্য করতে পারিনা।আমার কাছে মনেহয়, এটা স্যারের চেহারায় একটা কলঙ্কের দাগ।যা দূর থেকেও দেখা যায়।এমনকি এটা এটা সবাই দেখে।

কিন্তু একটা সময় মনেহয়,এটা তার নিকট ভুল নয়।তিনি যা করেছেন,বিশ্বাস,রুচি আর দর্শনের সাথে প্রতারনা নয়।তার জগত অনেক বড় ছিল।যেখানে একজন পতিতার সাথেও সাহেবদের কথা বলতে বিন্দু পরিমান সংকোচ হয় না।

আমার কাছে স্যার আবেগ আর ভালবাসার মানুষ।স্যারকে আমি ভালবাসি।প্রাণভরে ভালবাসি।একটা মেয়েকে যতটা ভালোবাসা যায় তার চেয়ে একশগুন।একটুও মিথ্যে বলছিনা।আমার তো মনেহয় আমার ধারনার চাইতেও বেশি ভালবেসে ফেলেছি।

বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে আমার দেখা অতুলনীয় প্রতিভা,শ্রেষ্ঠ শিল্পী।যার সৃষ্ঠি বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে চিরদিন জ্বল জ্বল করবে বলে বিশ্বাস।তার সৃষ্টি অনেক-অনেক দিন বেঁচে থাকুক।আমার বিশ্বাস সত্যি হোক।

সবশেষে স্যারের জন্য দোয়া করছি।তিনি যেন শান্তিতে থাকেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দর্পণ বাংলা'কে জানাতে ই-মেইল করুন। আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

দর্পণ বাংলা'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিজ্ঞাপন

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। দর্পণ বাংলা | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি | Developed by UNIK BD